Wednesday, 2 November 2016

বাচ্চাদের মস্তিস্কের বৃদ্ধির জন্য সহায়ক খাবার



শারীরিক গঠনের পাশাপাশি বাচ্চাদের মানসিক, অর্থাৎ মস্তিষ্কের সঠিক গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্কুলে গেলেই দেখা যাবে যে কোন বাচ্চা হয়তো পড়াশোনায় খুব মনোযোগী, আবার কোন বাচ্চা একেবারেই নয়। আসলে সব বাচ্চার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা এক রকম থাকে না। তাই মস্তিষ্কের সঠিক গঠনের জন্যও বাচ্চাদের আলাদা কিছু খাবার দিতে হবে।

ডিম 
ডিম শরীরের জন্য বেশ উপকারী একটি খাবার। এর পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কের বৃদ্ধির জন্য বেশ সহায়ক। ডিমে অবস্থিত প্রোটিন, ওমেগা , এবং জিংক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং মস্তিষ্ক হতে ক্ষতিকারক পদার্থ দূর করে। সিদ্ধ, আধা-সিদ্ধ, পোচ, বা অমলেট যেকোনোভাবেই হোক, ডিম মানেই মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।

পুঁইশাক
শাকের মধ্যে পুঁইশাক বেশ পুষ্টিকর এবং এতে মস্তিষ্কের উপকারী উপাদানের পাশাপাশি প্রচুর ভিটামিনও আছে। শরীরের উপকারের সাথে মস্তিষ্কের সঠিকহারে গঠনের জন্য এই সবজিটি খুব দরকারী।

 পানি 
পানি যদিওখাবার”-এর তালিকায় পড়ে না, তবুও বাচ্চাদের শারীরিক মানসিক বিকাশের জন্য সঠিক মাত্রায় পানি পান করা খুবই দরকার। শরীরে পানির অভাব হলে তা মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব ফেলে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়।

খাদ্যশস্য 
খাদ্যশস্য বলতে ধান, গম, ভুট্টা, যব ইত্যাদিকে বোঝানো হয়। এসব খাদ্যে ভিটামিন বি১২ থাকে যা মস্তিষ্কের জন্য দরকারী। শারীরিক মানসিক গঠনের জন্য এই খাদ্যশস্যগুলোর পুষ্টি উপাদান প্রয়োজনীয়।

জামজাতীয় ফল 
মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশের জন্য ফল একটি উপকারী খাবার। তার মধ্যেও জামজাতীয় কিছু ফল যেমন, কালোজাম, স্ট্রবেরি মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। বিশেষ করে স্মৃতিশক্তির বিকাশে এগুলো প্রয়োজনীয়।

বাদাম এবং বীজজাতীয় খাদ্য
এজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং ওমেগা থাকে। নাস্তা হিসাবে এই খাবারগুলো বেশ মুখরোচক এবং সেই সাথে শারীরিক মানসিক বিকাশেও উপকারী।

ওটমিল  
ওটমিল আমাদের দেশে উৎপাদিত না হলেও ইদানীং প্রচুর পরিমাণে আমদানি করা হচ্ছে এবং যেকোনো সুপার শপেই ওটমিল কিনতে পাওয়া যায়। এতে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট থাকে যা ধীরে ধীরে গ্লুকোজ নিঃসরণ করে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

মাছ
মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য যেসব খাদ্য দরকার, তার মধ্যে মাছে পুষ্টি উপাদান সবচেয়ে বেশী। বিশেষ করে ছোট মাছে প্রচুর ভিটামিন থাকে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। মাছে অবস্থিত প্রোটিন ওমেগা মস্তিষ্কের সঠিক গঠন নিশ্চিত করে এবং শারীরিক কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

-  জন সচেতনতায় (সংগ্রহীত)

চুল পাকার যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়



কম বয়সে চুল পেকে যাওয়ার একটা অন্যতম কারণ হল আমাদের শরীরে জিন বা বংশগতির প্রভাব। তাছাড়া খাবারদাবারের ভেজাল পরিবেশগত দূষণসহ অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান বা জীবনযাপনের নানা সমস্যার কারণেও কম বয়সে চুল পাকতে শুরু করে। মুলত চুলের রং নির্ভর করে বিশেষ হরমোন মেলানিনের ওপর। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে বলেই বুড়ো বয়সে চুল পাকে। ড্রাই বা কলপ ছাড়াও প্রাকৃতিক উপায়ে রোধ করতে পারেন চুলের অকাল পক্কতা। আসুন জেনে নেওয়া যাক পাকা চুলের হাত থেকে মুক্তি পাবার ৫টি কার্যকরী উপায়।

লেবুর রস এবং আমলকীর পেষ্ট
চুলের পাকা রোধ করতে আমলকীর জুড়িঁ নেই। ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ আমলকী চুলের পাকা রোধ করার সাথে সাথে চুলের গোঁড়াও মজবুত করে থাকে। আমলকী থেঁতলে নিয়ে হালকা করে বেটে নিন, এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এইবার এই পেষ্ট চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে মাখুন। চাইলে পাকা চুলেও লাগাতে পারেন। ১৫-২০ মিনিট রেখে দিয়ে বেশি করে পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পেতে চাইলে প্রতিদিন ব্যবহার করুন।

পেঁয়াজের পেষ্ট
নতুন চুল গোজাতে,চুল মুজবুত করতে পেঁয়াজের ব্যবহার হয়ে আসছে সেই আদিকাল থেকে।চুল পাকা রোধতে এমন কি পাকা চুল কালো করতেও পেঁয়াজের রস অনেক উপকারী। পেঁয়াজ বেটে পেষ্ট করে নিন। চুলের গোড়ায় খুব ভালভাবে ঘষে ঘষে লাগান। পেষ্ট শুকানোর পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি সপ্তাহে একদিন করতে পারেন। তবে প্রতিদিন করলে দ্রুত ফল পাবেন।

নারকেলের তেল এবং লেবুর রস
নারকেল তেলের সাথে লেবুর রস মেশান। আঙুলের ডগায় তেল নিয়ে ঘষে ঘষে চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করুন। সাদা চুল কালো করতে নারকেল তেল আর লেবুর রস খুব ভাল একটি উপায়। সপ্তাহে / বার আর সম্ভব হলে প্রতিদিনই ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ব্যবহারে চুল পাকার সম্ভাবনাও কমে যায় অনেকখানি।

গাজরের রস
খাবারদাবারের মেনুতে নিয়মিত রাখুন গাজরের রস। প্রতিদিন গ্লাস গাজরের রস পান করলে চুল পাকার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। গাজরের রস সরাসরি চুলে লাগানোর চেয়ে মুখে খাওয়াই বেশি কার্যকরী।

তিল এবং বাদামের তেল
তিলের তেল এবং বাদামের তেলের মিশ্রণ চুল পাকা রোধ করে থাকে। বাদামের তেলের সাথে তিলের বিচ দিয়ে পাঁচ-সাত মিনিট ধরে গরম করুন। চুলা থেকে নামিয়ে তেলটা ঠান্ডা হতে দিন। তেল ঠাণ্ডা হলে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে সারা মাথায় মাখুন। আধা ঘণ্টা রেখে দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এমনকি চাইলে এই তেল সারা রাতও রেখে দিতে পারেন। পরদিন সকালে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

- জনস্বার্থে সংগ্রহীত